শিশুরা দিনে কতগুলো ডিম খেতে পারবে? জেনে নিন
বাড়ন্ত বয়সে শিশুর সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবার অপরিহার্য। আর এই তালিকায় সবার ওপরে থাকে ‘ডিম’। তবে অনেক বাবা-মায়ের মনেই প্রশ্ন থাকে—৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে দিনে কয়টি ডিম দেওয়া নিরাপদ? পুষ্টিবিদ এবং শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম প্রোটিন ও ভিটামিনের এমন এক পাওয়ার হাউস, যা শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য জাদুর মতো কাজ করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ৫ বছরের কম বয়সী একটি সুস্থ শিশুর জন্য দিনে ১টি ডিম আদর্শ। ডিমের উচ্চমানের প্রোটিন, কোলিন এবং ভিটামিন ডি শিশুর মস্তিষ্ক ও হাড় গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
বয়স অনুযায়ী নির্দেশিকা:
১. ৬ থেকে ১২ মাস: ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর অল্প করে সেদ্ধ করা ডিমের কুসুম দিয়ে শুরু করা যায়। ৯ মাস বয়সের পর থেকে পুরো ডিম দেওয়া যেতে পারে।
২. ১ থেকে ৫ বছর: এই বয়সী শিশুরা দিনে ১ থেকে ২ টি ডিম অনায়াসেই খেতে পারে। তবে যদি শিশু মাছ, মাংস বা ডাল থেকেও প্রোটিন পায়, তবে ১টি ডিমই যথেষ্ট ।
ডিমে থাকা 'কোলিন' শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং মস্তিষ্কের কোষের বিকাশে সহায়তা করে।
২. হাড়ের গঠন: ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম থাকায় এটি শিশুর দাঁত ও হাড় মজবুত করে।
৩. দৃষ্টিশক্তি রক্ষা: ডিমের কুসুমে থাকা লুটেইন ও জেক্সানথিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের সুরক্ষায় কাজ করে।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এতে থাকা আয়রন ও জিংক শিশুর ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশা
লী করে তোলে।
0 Response to "শিশুরা দিনে কতগুলো ডিম খেতে পারবে? জেনে নিন"
Post a Comment