সর্বশেষ

28 February 2026

হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি

হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি

হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি | ছবি: সংগৃহীত

বার্তা বিট আন্তর্জাতিক:

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। আজ রোববার (১ মার্চ) বার্তাসংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজসহ ইরানের সরকারি-বেসরকারি সকল সংবাদমাধ্যম খামেনির নিহতের খবরটি নিশ্চিত করেছে।

ইরানের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন। ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত এবং যোদ্ধা তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন।”  

খামেনির মৃত্যুতে দেশটিতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকালে খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা হামলা চালায়। এরপর শনিবার রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনি নিহত হওয়ার খবর জানান। যদিও ইরান প্রথমে বিষয়টি স্বীকার করেনি, তবে আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে তারা খামেনির নিহতের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেয়।

ইরানে ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতন্ত্রিক সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে সামরিক, বিচার ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগসহ সবক্ষেত্রে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর। তাঁর নির্দেশনাতেই মূলত ইরান সরকার চলতো।

১৯৭৯ সালে তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ক্ষমতায় বসে শিয়াপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সেই বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। ১৯৮৯ সালে খোমেনির মৃত্যুর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

সূত্র: তাসনিম, আইআরআইবি, সিএনএন ও এক্সিওস

সেহরি কী? জেনে নিন সেহরির গুরুত্ব ও ফজিলত

সেহরি কী? জেনে নিন সেহরির গুরুত্ব ও ফজিলত

 

পবিত্র রমজান মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও যাবতীয় পাপাচার থেকে বিরত থাকাই হলো রোজা। আর এই দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার শক্তি জোগাতে রাতের শেষ প্রহরে যে খাবার গ্রহণ করা হয়, তাকেই বলা হয় সেহরি। প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেক মুসলমানের ওপর রমজানের রোজা রাখা ফরজ।

সেহরি কী? 

'সেহরি' একটি আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ হলো 'ভোরের খাবার' বা 'শেষ রাতের খাবার'। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায়, রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে যে পানাহার করা হয়, তাকেই সেহরি বলা হয়।

রোজা রাখার নিয়তে সেহরি খাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। হাদিস শরিফে একে অত্যন্ত বরকতময় খাবার হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, “তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত আছে।” (বুখারি, হাদিস: ১৯২৩)

মুসলিম ও অমুসলিমদের রোজার মধ্যে প্রধান পার্থক্যই হলো সেহরি। রাসুল (সা.) বলেছেন, “আহলে কিতাব (ইহুদি-খ্রিস্টান) এবং মুসলমানদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সেহরি খাওয়া।” (মুসলিম, হাদিস: ১৮৪৩; তিরমিজি,হাদিস : ৬৪২)

আরও পড়ুন:  'রমজান মুবারক' নাকি 'রমজান কারীম', কোনটি বলা উত্তম? 

আরও পড়ুন: রোজার নিয়ত কীভাবে করবেন? জেনে নিন 


সেহরির উত্তম সময়

সেহরি খাওয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে কিছুটা দেরিতে, অর্থাৎ সময় শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে খাওয়া উত্তম ও সুন্নত। রাসুল (সা.) সবসময় শেষ সময়ে সেহরি খেতেন। এতে রোজা রাখা সহজ হয় এবং ফজরের নামাজের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় না।

অনেকে রাতের প্রথম প্রহরে ভারী খাবার খেয়ে ঘুমান এবং শেষ রাতে সেহরি খেতে চান না। তবে সুন্নত পালনের উদ্দেশ্যে সামান্য কিছু হলেও খাওয়া উচিত। সেহরির সময় ভারী খাবার খাওয়ার রুচি না থাকলে অন্তত দুটি খেজুর বা সামান্য পানি পান করলেও তা সেহরি হিসেবে গণ্য হবে ।

হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ খামেনি? যা বলছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ খামেনি? যা বলছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি | ছবি: সংগৃহীত
বার্তা বিট আন্তর্জাতিক:

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু নিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ সূত্রের বরাতে দাবি করেছিল যে, শনিবারের যৌথ হামলায় খামেনি প্রাণ হারিয়েছেন ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, খামেনি সুস্থ ও বেঁচে আছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন যে, ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানের দুই শীর্ষ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন।

আরাগচি বলেন, “আমি যতটুকু জানি, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বেঁচে আছেন।” তিনি আরও যোগ করেন, “উচ্চপদস্থ প্রায় সব কর্মকর্তা নিরাপদ আছেন। সবাই যার যার অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন। সবকিছু স্বাভাবিক আছে।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির বেঁচে থাকার দাবি করলেও, ইরানের সামরিক নেতৃত্বের বড় দুই স্তম্ভের পতন নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স । সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, শনিবার সকালের ওই আকস্মিক হামলায় ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ পাকপোর এবং ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ নিহত হয়েছেন। 

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছাড়লেন ড. ইউনূস

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছাড়লেন ড. ইউনূস

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছাড়লেন ড. ইউনূস
 বার্তা বিট প্রতিবেদন: 

সরকারি বাসভবন ‘রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা’ ত্যাগ করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি যমুনা ছেড়ে তাঁর রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হন।

ডিএমপির রমনা জোনের ডিসি মাসুদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সূত্র অনুযায়ী, ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভবনটি ত্যাগ করার পরপরই সেখানে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু করবে গণপূর্ত অধিদফতর। দেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মুহূর্তে যমুনায় উঠবেন কিনা, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ভবনের সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী কোথায় অবস্থান করবেন, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

ইরানে ট্রাম্পের হামলা ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’: মার্কিন সিনেটর মার্কি

ইরানে ট্রাম্পের হামলা ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’: মার্কিন সিনেটর মার্কি

ইরানে ট্রাম্পের হামলা ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’: মার্কিন সিনেটর মার্কি
মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড জে. মার্কি | ছবি: সংগৃহীত
বার্তা বিট আন্তর্জাতিক:

ইরানে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানকে ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড জে. মার্কি। 

এক বিবৃতিতে সিনেটর মার্কি জানান, এই ধরণের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে কংগ্রেসের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। তিনি সতর্ক করে বলেন, ট্রাম্পের এই অবৈধ কর্মকাণ্ড একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এটি কেবল ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের জন্যই নয়, বরং সাধারণ বেসামরিক নাগরিকদের জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে ইরানের পারমাণবিক হুমকিকে ‘অতি আসন্ন’ বলে অতিরঞ্জিতভাবে প্রচার করে আসছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছরের জুনে চালানো ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ হামলার সময় যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল যে তারা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘বিধ্বস্ত’ করেছে। অথচ সেই অভিযানের পরও ট্রাম্প এখনও ইরানের হুমকিকে বড় করে দেখিয়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি জিইয়ে রাখছেন।

সূত্র: আল জাজিরা