নাক ডাকা নিয়ন্ত্রণের ৫টি কার্যকর উপায়
রাতে নাক ডাকা কেবল একটি উপদ্রব নয়, বরং এটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার সংকেত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি ঘুমের মান নষ্ট করার পাশাপাশি রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যা হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো সমস্যার কারণে ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটতে পারে।
নাক ডাকা নিয়ন্ত্রণের ৫টি কার্যকর উপায়:
১. সঠিক লক্ষণ চিহ্নিত করা
যদি ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসা, সকালে মুখ শুষ্ক থাকা কিংবা সারা দিন অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ হয়, তবে বুঝতে হবে এটি চিকিৎসার সময় এসেছে।
২. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা:
অতিরিক্ত ওজন, বিশেষ করে ঘাড়ের চারপাশের মেদ শ্বাসনালীকে সংকুচিত করে। সামান্য ওজন কমালেও নাক ডাকার তীব্রতা অনেকটা কমে যায়।
৩. ঘুমের ভঙ্গি পরিবর্তন:
চিৎ হয়ে ঘুমালে জিহ্বা পেছনের দিকে ঝুঁকে শ্বাসনালী বন্ধ করে দেয়। তাই পাশ ফিরে ঘুমানোর অভ্যাস করলে শ্বাস নেওয়া সহজ হয় এবং নাক ডাকা কমে।
৪. নিয়মিত ঘুমের রুটিন:
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করলে গলার পেশীর সঠিক গঠন বজায় থাকে। ঘুমের অভাব বা অনিয়মিত ঘুমের ফলে পেশী অতিরিক্ত শিথিল হয়ে নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ায়।
৫. নাকের সমস্যা সমাধান:
অ্যালার্জি বা সাইনাসের কারণে নাক বন্ধ থাকলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই সাইনাস বা কফের সমস্যা থাকলে দ্রুত চিকিৎসা করা জরুরি।
0 Response to "নাক ডাকা নিয়ন্ত্রণের ৫টি কার্যকর উপায়"
Post a Comment