বার্তা বিট আন্তর্জাতিক:
দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আর পাল্টাপাল্টি হুমকির পর অবশেষে বরফ গলতে শুরু করেছে। আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তুরস্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগবি এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হবে ।
এদিকে আলোচনা শুরুর আগেই হুমকি দিয়েছে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছে, আলোচনার মাধ্যমে কোনো চুক্তি না হলে ইরানের জন্য ‘ভয়াবহ কিছু’ অপেক্ষা করছে।
ট্রাম্প বলেন, “ইরানের দিকে আমাদের বিশাল ও সেরা নৌ-বহর এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি, দেখা যাক কী হয়। চুক্তি হলে ভালো, না হলে খুব খারাপ কিছু ঘটবে।”
যুক্তরাষ্ট্র কি চায় ইরানের কাছে?
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, আলোচনার টেবিলে বসার আগে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সামনে ৩টি কঠিন শর্ত ছুড়ে দিয়েছে: ১. ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে মজুদ শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে। ২. ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা সীমিত করতে হবে। ৩. হুতি ও হিজবুল্লাহর মতো আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
ইরানের পক্ষ থেকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে তারা অনড়। ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, তারা পারমাণবিক কার্যক্রম স্থগিত বা বন্ধের বিষয়ে দরকষাকষি করতে রাজি থাকলেও নিজেদের প্রতিরক্ষার প্রধান হাতিয়ার ‘ব্যালিস্টিক মিসাইল’ নিয়ে কোনো ছাড় দেবে না।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল ও রয়টার্স

0 coment rios: