Showing posts with label ধর্ম. Show all posts
Showing posts with label ধর্ম. Show all posts

28 February 2026

সেহরি কী? জেনে নিন সেহরির গুরুত্ব ও ফজিলত

সেহরি কী? জেনে নিন সেহরির গুরুত্ব ও ফজিলত

 

পবিত্র রমজান মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও যাবতীয় পাপাচার থেকে বিরত থাকাই হলো রোজা। আর এই দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার শক্তি জোগাতে রাতের শেষ প্রহরে যে খাবার গ্রহণ করা হয়, তাকেই বলা হয় সেহরি। প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেক মুসলমানের ওপর রমজানের রোজা রাখা ফরজ।

সেহরি কী? 

'সেহরি' একটি আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ হলো 'ভোরের খাবার' বা 'শেষ রাতের খাবার'। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায়, রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে যে পানাহার করা হয়, তাকেই সেহরি বলা হয়।

রোজা রাখার নিয়তে সেহরি খাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। হাদিস শরিফে একে অত্যন্ত বরকতময় খাবার হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, “তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত আছে।” (বুখারি, হাদিস: ১৯২৩)

মুসলিম ও অমুসলিমদের রোজার মধ্যে প্রধান পার্থক্যই হলো সেহরি। রাসুল (সা.) বলেছেন, “আহলে কিতাব (ইহুদি-খ্রিস্টান) এবং মুসলমানদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সেহরি খাওয়া।” (মুসলিম, হাদিস: ১৮৪৩; তিরমিজি,হাদিস : ৬৪২)

আরও পড়ুন:  'রমজান মুবারক' নাকি 'রমজান কারীম', কোনটি বলা উত্তম? 

আরও পড়ুন: রোজার নিয়ত কীভাবে করবেন? জেনে নিন 


সেহরির উত্তম সময়

সেহরি খাওয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে কিছুটা দেরিতে, অর্থাৎ সময় শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে খাওয়া উত্তম ও সুন্নত। রাসুল (সা.) সবসময় শেষ সময়ে সেহরি খেতেন। এতে রোজা রাখা সহজ হয় এবং ফজরের নামাজের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় না।

অনেকে রাতের প্রথম প্রহরে ভারী খাবার খেয়ে ঘুমান এবং শেষ রাতে সেহরি খেতে চান না। তবে সুন্নত পালনের উদ্দেশ্যে সামান্য কিছু হলেও খাওয়া উচিত। সেহরির সময় ভারী খাবার খাওয়ার রুচি না থাকলে অন্তত দুটি খেজুর বা সামান্য পানি পান করলেও তা সেহরি হিসেবে গণ্য হবে ।

22 February 2026

রোজার গুরুত্ব, নিয়ত ও ইফতারের দোয়া: আরবি ও বাংলা উচ্চারণ

রোজার গুরুত্ব, নিয়ত ও ইফতারের দোয়া: আরবি ও বাংলা উচ্চারণ

রোজার গুরুত্ব, নিয়ত ও ইফতারের দোয়া
ছবি: সংগৃহীত
  

বার্তা বিট ধর্ম:

বছর ঘুরে আবারও রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে হাজির পবিত্র মাহে রমজান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সেহরি খাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সিয়াম সাধনা। ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম এই রোজা রাখা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য ফরজ।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, “হে মুমিনগণ! তোমাদের জন্য সিয়ামের বিধান দেয়া হলো, যেমন বিধান তোমাদের পূর্ববর্তীদের দেওয়া হয়েছিল, যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পারো।” (সুরা বাকারা, আয়াত ১৮৩)। 

রমজানের রোজা পালনের জন্য সেহরি করা আবশ্যক। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “আমাদের রোজা এবং আহলে কিতাবদের (ইয়াহুদি ও খ্রিস্টান) রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সেহরি খাওয়া।” (মুসলিম ও নাসাঈ)। সেহরি খাওয়ার পর রোজার নিয়ত করা জরুরি।

রোজার আরবি নিয়ত: نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم  

বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।  

বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়ত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে তা কবুল করো, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

আরও পড়ুন:  'রমজান মুবারক' নাকি 'রমজান কারীম', কোনটি বলা উত্তম?


ইফতারের আগ মুহূর্ত দোয়া কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়। এই সময় বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া সওয়াবের কাজ।

ইস্তিগফার: আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম, আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু আল-হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম, ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।

ইফতারের দোয়া: اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِيْمِيْن  

বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়াৃ আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিজিকের মাধ্যমে ইফতার করছি।

আরও পড়ুন: রোজার নিয়ত কীভাবে করবেন? জেনে নিন 

 

ইফতার শেষ করার পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে এই দোয়াটি পড়া সুন্নত: 

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ

উচ্চারণ: জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।  

অর্থ: (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সওয়াবও স্থির হলো। (আবু দাউদ, মিশকাত)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক নিয়মে সিয়াম সাধনা ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

20 February 2026

'রমজান মুবারক' নাকি 'রমজান কারীম', কোনটি বলা উত্তম?

'রমজান মুবারক' নাকি 'রমজান কারীম', কোনটি বলা উত্তম?

'রমজান মুবারক' না কি 'রমজান কারীম'
 

বার্তা বিট ধর্ম:

পবিত্র রমজান মাস শুরু হলেই মুসলিমরা একে অপরকে 'রমজান মুবারক' বা 'রমজান কারীম' বলে শুভেচ্ছা জানান। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, এই দুটি অভিব্যক্তির মধ্যে কোনটি সঠিক বা বেশি গ্রহণযোগ্য? মূলত অর্থ ও প্রেক্ষাপট বিবেচনায় দুটিই সঠিক, তবে এদের ব্যবহারে রয়েছে চমৎকার কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য।

গালফ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দুবাইভিত্তিক ভাষাবিশেষজ্ঞ খালেদ বুদেমাগ জানান, শুভেচ্ছার ধরন দেশ ও সংস্কৃতিভেদে ভিন্ন হয়। যেমন ফ্রান্সে বলা হয় ‘বোঁ রমাদঁ’ (শুভ রমজান)। তবে আরব দেশসহ বিশ্বের মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় 'মুবারক' ও 'কারীম'।

রমজান মোবারক 

'রমজান মোবারক' শব্দের অর্থ হলো— বরকতপূর্ণ রমজান। এই অভিবাদনের মাধ্যমে একজন রোজাদারকে রমজানের বরকত, রহমত, মাগফিরাত ও আত্মশুদ্ধির দোয়া জানানো হয়। সাধারণত রমজানের শুরুতে এটি বেশি ব্যবহৃত হলেও পুরো মাসজুড়েই এই শুভেচ্ছা বিনিময় করা যায়।

রমজান কারীম 

'রমজান কারীম' শব্দের অর্থ হলো— দানশীল বা উদার রমজান। এর সুর কিছুটা হালকা ও আনন্দঘন। রমজানের দয়া ও উদারতার চেতনাকে সম্মান জানাতে এই বার্তাটি ব্যবহার করা হয়। অনেকের কাছে এটি 'হ্যাপি রমজান'-এর সমার্থক। রমজানের শুরুর দিনগুলোতে এবং পুরো মাসজুড়েই এর ব্যবহার দেখা যায়।

সাধারণত রমজানের চাঁদ দেখার সন্ধ্যা থেকেই এই শুভেচ্ছা বিনিময়ের ধুম পড়ে যায়। তবে রমজান শেষে ঈদুল ফিতরের দিন এই বার্তা বদলে যায়। তখন সবাই একে অপরকে 'ঈদ মোবারক' বলে শুভেচ্ছা জানান এবং আগামী বছরের কল্যাণ কামনা করেন।

সূত্র: গালফ নিউজ

তারাবির নামাজ নিয়ে যা বললেন আজহারী

তারাবির নামাজ নিয়ে যা বললেন আজহারী

 

মিজানুর রহমান আজহারী


 বার্তা বিট ধর্ম:

পবিত্র রমজান মাসের বিশেষ অনুষঙ্গ তারাবির নামাজে ধীরস্থিরভাবে কোরআন তিলাওয়াত করার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। প্রতিটি আয়াত অনুভূতির সঙ্গে পড়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।

ফেসবুক পোস্টে আজহারী লেখেন, “তাড়াহুড়ো নয়, কোরআন তিলাওয়াত হোক তারতিলের সাথে। অনুভূত হোক প্রতিটি আয়াত।”

19 February 2026

রোজার নিয়ত কীভাবে করবেন? জেনে নিন সঠিক নিয়ম

রোজার নিয়ত কীভাবে করবেন? জেনে নিন সঠিক নিয়ম

রোজার নিয়ত কীভাবে করবেন?
ছবি: সংগৃহীত
 

বার্তা বিট ধর্ম:

ইবাদত কবুল হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো নিয়ত। শুধু না খেয়ে থাকলেই তা রোজা হিসেবে গণ্য হবে না—রোজা শুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত করা আবশ্যক। তাই রমজানে নিয়তের সঠিক সময় ও নিয়ম জানা প্রতিটি মুমিনের জন্য জরুরি।

নিয়ত কী এবং কীভাবে করতে হয়?

নিয়ত মূলত অন্তরের সংকল্প। এটি মুখে উচ্চারণ করা বাধ্যতামূলক নয়। আরবি ভাষায় নিয়ত করাও জরুরি নয়—নিজ ভাষায় মনে মনে ইচ্ছা করলেই নিয়ত সম্পন্ন হয়। বিশেষ করে সেহরির সময় যখন রোজা রাখার উদ্দেশ্যে খাবার খাওয়া হয়, সেটিই নিয়ত হিসেবে যথেষ্ট।

দিনের বেলায় নিয়ত করার সুযোগ

কোনো কারণে রাতে বা সেহরিতে নিয়ত করতে ভুলে গেলে রমজানের ফরজ রোজার ক্ষেত্রে দিনের অর্ধেক সময় (শরয়ি নিসফে নাহার বা দুপুরের আগে) পর্যন্ত নিয়ত করা যায়। তবে শর্ত হলো, সুবহে সাদিকের পর থেকে নিয়ত করার আগ পর্যন্ত রোজা ভঙ্গের মতো কোনো কাজ (যেমন—খাওয়াদাওয়া) করা যাবে না। নির্দিষ্ট তারিখের মানতের রোজার ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য।

যেসব রোজায় রাতেই নিয়ত বাধ্যতামূলক

কিছু রোজার ক্ষেত্রে অবশ্যই ফজরের আগে বা রাত থাকতেই নিয়ত করতে হয়। এগুলো হলো—

১. নফল রোজার কাজা

২. কাফফারার রোজা (ভুলের ক্ষতিপূরণ হিসেবে রাখা রোজা)

৩. অনির্দিষ্ট মানতের রোজা (কোনো মানত পূরণের রোজা)

৪. রমজানের কাজা রোজা 

পরিশেষে, নিয়ত হলো অন্তরের দৃঢ় সংকল্প। সময়মতো সঠিকভাবে নিয়ত করলে রোজা শুদ্ধ ও পরিপূর্ণ হয়। আল্লাহ আমাদের সবার সিয়াম সাধনা কবুল করুন।

এখনো দুই দেশে রোজা শুরু হয়নি, কারণ কী?

এখনো দুই দেশে রোজা শুরু হয়নি, কারণ কী?

এখনো দুই দেশে রোজা শুরু হয়নি
ছবি: সংগৃহীত
 

 বার্তা বিট ধর্ম:

বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাস শুরু হলেও নিউজিল্যান্ড ও ফিজিতে এখনো রোজা শুরু হয়নি। দেশ দুটিতে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) থেকে রমজান শুরু হবে।

বুধবার সন্ধ্যায় শাবান মাসের ২৯ তারিখে রমজানের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় একদিন পিছিয়ে রমজান শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশ দুটির ইসলামিক কর্তৃপক্ষ। ফেডারেশন অব ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশনস অব নিউজিল্যান্ড এবং ফিজি মুসলিম লীগ আলাদা আলাদা ঘোষণায় জানায়, বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি শাবান মাসের ৩০তম দিন পূর্ণ হবে। সে অনুযায়ী শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে পবিত্র রমজান।

দুই দেশের ইসলামী কর্তৃপক্ষ জানায়, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী নিউজিল্যান্ড ও ফিজি এমন ভৌগোলিক অঞ্চলে অবস্থিত, যেখান থেকে ওই দিন সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ খালি চোখে বা দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও দেখার সম্ভাবনা ছিল না। যেহেতু এই অঞ্চলের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেয়, তাই শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, আফগানিস্তান, লেবানন, ফিলিস্তিন ও সুদানসহ আরও কয়েকটি দেশ। এছাড়া ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হয়েছে বাংলাদেশ, ওমান, ব্রুনেই, ভারত, পাকিস্তান, মিসর (ইজিপ্ট), তুরস্ক ও সিঙ্গাপুরসহ আরও কিছু দেশে।

সূত্র : খালিজ টাইমস

18 February 2026

রমজানের চাঁদ দেখলে যে দোয়া পড়তেন নবীজি (সা.)

রমজানের চাঁদ দেখলে যে দোয়া পড়তেন নবীজি (সা.)

রমজানের চাঁদ দেখলে যে দোয়া পড়তেন নবীজি (সা.)
রমজানের নতুন চাঁদ। ছবি: সংগৃহীত

 বার্তা বিট ধর্ম:

আজ ১৪৪৭ হিজরির ২৯ শাবান। আজ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা মুমিনের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও বরকতের। বিশ্বনবী (সা.) নিজে সাহাবায়ে কেরামকে চাঁদ দেখতে বলতেন এবং চাঁদ দেখলে দোয়া পড়তেন। আজ চাঁদ দেখা গেলে রাতেই শুরু হবে তারাবিহ এবং শেষ রাতে সেহরি খাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে রহমতের মাস।

হজরত তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন এই দোয়াটি পড়তেন:

আরবি: اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله

উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ইমানি ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।’

অর্থ: ‘আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি ৩৪৫১)

 

এ ছাড়াও রমজানের চাঁদ দেখার খবর শুনেই হৃদয়ের গভীর থেকে আল্লাহর কাছে মুমিনের আকুতিভরা প্রার্থনা হবে এমন-

আরবি: اللَّهُمَّ سَلِّمْنِي لرمضان، وسلم رمضان لي، وتسلمه مني مُتَقَبَّلاً

উচ্চারণ: 'আল্লাহুম্মা সাল্লিমনি লিরমাদান, ওয়া সাল্লিম রামাদানা লি, ওয়া তাসলিমাহু মিন্নি মুতাক্বাব্বিলা।'

অর্থ: 'হে আল্লাহ! আমাকে শান্তিময় রমজান দান করুন। রমজানকে আমার জন্য শান্তিময় করুন। জন্য রমজানকে শান্তিময় করে দিন। রমজানের শান্তিও আমার জন্য কবুল করুন। (তাবারানি) 

 

চাঁদ দেখার এই দোয়ার প্রতিটি শব্দে লুকিয়ে আছে গভীর তাৎপর্য—নিরাপত্তা, ঈমান ও শান্তির আবেদন। দিগন্তে ওঠা নতুন চাঁদের মতোই যেন প্রতিটি মুমিনের জীবনে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা উদিত হয়। প্রতিবার নতুন চাঁদ দেখা মানে নতুন করে আশা জাগানো এবং আল্লাহর পছন্দনীয় পথে চলার তাওফিক কামনা করা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই দোয়ার মর্ম বুঝে তা জীবনে ধারণ করার তাওফিক দান করুন।

27 January 2026

দেখে নিন রংপুর বিভাগের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

দেখে নিন রংপুর বিভাগের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

 

ramadan-calendar-2026-rangpur-division

বছর ঘুরে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আবারও আমাদের মাঝে আসছে পবিত্র রমজান মাস। ২০২৬ সালের জন্য রংপুর বিভাগের সাহরি ও ইফতারের প্রাথমিক সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। বর্তমান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রথম রোজা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রংপুর বিভাগের আওতাধীন জেলাগুলোর (রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও গাইবান্ধা) ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের সুবিধার্থে সময়সূচিটি নিচে তুলে ধরা হলো।

 


 সূত্র : ইসলামিক ফাউন্ডেশন